যুক্তরাষ্ট্রে ভিসা আবেদন প্রক্রিয়ায় জাল নথি ব্যবহার বা মিথ্যা তথ্য প্রদান করলে কঠোর আইনগত শাস্তির মুখে পড়তে হতে পারে আবেদনকারীদের।
মার্কিন অভিবাসন আইন অনুযায়ী এ ধরনের কাজকে “ভিসা ফ্রড” বা “ম্যাটেরিয়াল মিসরিপ্রেজেন্টেশন” হিসেবে গণ্য করা হয়।
ইমিগ্রেশন বিশেষজ্ঞদের মতে, ভিসা আবেদনে ইচ্ছাকৃতভাবে ভুল তথ্য বা জাল কাগজপত্র জমা দিলে আবেদন শুধু বাতিলই হয় না, অনেক ক্ষেত্রে আবেদনকারীকে স্থায়ীভাবে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে অযোগ্য ঘোষণা করা হয়।
যুক্তরাষ্ট্রের Immigration and Nationality Act (INA) অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি যদি প্রতারণার মাধ্যমে ভিসা পাওয়ার চেষ্টা করেন, তবে তাকে “inadmissible” ঘোষণা করা হতে পারে। এ ক্ষেত্রে ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো ভিসার জন্য আবেদন করলেও তা প্রত্যাখ্যান হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
এছাড়া মার্কিন ফেডারেল আইনে জাল ভিসা, পাসপোর্ট বা ইমিগ্রেশন ডকুমেন্ট ব্যবহারকে গুরুতর অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়। এ ধরনের অপরাধে সর্বোচ্চ ১০ থেকে ২০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডের বিধান রয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা জানান, ভিসা ফ্রড প্রমাণিত হলে অনেক ক্ষেত্রে আবেদনকারীকে আজীবনের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ নিষেধাজ্ঞার (Permanent Ban) আওতায় আনা হয়। অন্যদিকে, সাধারণ ভিসা শর্ত ভঙ্গ যেমন নির্ধারিত সময়ের বেশি অবস্থান করলে ৩ বছর বা ১০ বছরের নিষেধাজ্ঞা আরোপ হতে পারে।
ভিসা বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, আবেদনকারীদের সবসময় সঠিক ও সত্য তথ্য প্রদান করা উচিত। কারণ সামান্য অসতর্কতা বা ইচ্ছাকৃত প্রতারণা ভবিষ্যতের আন্তর্জাতিক ভ্রমণ ও অভিবাসন সুযোগকে চিরতরে বন্ধ করে দিতে পারে।











